Showing posts with label কক্সবাজার. Show all posts
Showing posts with label কক্সবাজার. Show all posts

Friday, 25 April 2025

সেন্টমার্টিনে অবৈধ স্থাপনা  বদি সহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

সেন্টমার্টিনে অবৈধ স্থাপনা বদি সহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি


 টেকনাফের সেন্টমার্টিন দ্বীপে অবৈধভাবে স্থাপনা নির্মাণ করার অভিযোগে দায়ের করা মামলার তদন্ত শেষে পরিবেশ অধিদপ্তরের তদন্তকারির দাখিল করা ১৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্রটি (চার্জশিট) গ্রহণ করেছে কক্সবাজারের পরিবেশ আদালত।


বৃহস্পতিবার দুপুরে গত ১৩ মার্চ দাখিল করা অভিযোগ পত্রটির উপর অনুষ্ঠিত শুনানী শেষে কক্সবাজার পরিবেশ আদালতের বিশেষ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আসাদ উদ্দিন মো. আসিফ অভিযোগপত্রটি গৃহিত হিসেবে আদেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে ১০ টি স্থাপনার মালিক ১৯ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ইস্যু করেছেন বিচারক। যেখানে কক্সবাজারের আলোচিত সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুর রহমান বদিও রয়েছেন। সেন্টমার্টিনের সানরাইজ রিসোর্টের মালিক হিসেবে তাকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে।

এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আশেক ইলাহী শাহজাহান নুরী।

তিনি বলেন, সেন্টমার্টিন দ্বীপে প্রতিবেশ সংকটাপন্ন এলাকায় প্রাণী ও উদ্ভিদের আবাসস্থল ধ্বংস করে আবাসিক হোটেল নির্মাণ করে পরিচালনার অভিযোগে 

কুতুবদিয়ায় পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রের উপর সন্ত্রাসী হামলা : হাসপাতালে ভর্তি

কুতুবদিয়ায় পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রের উপর সন্ত্রাসী হামলা : হাসপাতালে ভর্তি


 ‎‎‎কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় পূর্ব শত্রুতার জেরে সাদমান সামিন (১০) নামে পঞ্চম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রের উপর সন্ত্রাসী হামলার অভিযোগ উঠেছে।


শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার দক্ষিণ মগডেইল এলাকার স্ট্যাডিয়াম মোড়ে এ ঘটনা ঘটে।

‎ভিকটিম সাদমান সামিন স্থানীয় চাইল্ড কেয়ার একাডেমির ছাত্র।


সে জানায়, শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার সময় পথিমধ্যে কয়েকজন সন্ত্রাসী তার গতিরোধ করে বেধড়ক মারধর করে।


হামলায় তার হাত, পা, বুক-পিঠসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে হাড় ভাঙা ফোলা জখম হয়।


পরে পথচারীরা তাকে উদ্ধার করে কুতুবদিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করালে কর্তব্যরত চিকিৎসক এক্সরেসহ উন্নত চিকিৎসার জন্য রেফার করেন।

‎স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হামলাকারীরা একই এলাকার নজির আহমদের ছেলে নুরুল বশর, ফারুক, খাইরুল বশর ও সাদ্দাম।


ভিকটিমের পরিবার দাবি করেছে, এর আগের দিন বৃহস্পতিবার সাদমানের বাবা রেজাউল করিম ধান কেটে বাড়ি ফেরার সময় সড়কে দাঁড়ানো অবস্থায় নুরুল বশরের অটোরিকশার ধাক্কায় গুরুতর আহত হন।


এরপর শুক্রবার তার ছেলে সাদমানকে একা পেয়ে নুরুল বশর ও তার ভাইয়েরা হামলা চালায়।

‎এ বিষয়ে স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী রাহাত বলেন, “ঘটনার সময় আমি সেখানে ছিলাম।


সাদমানকে কয়েকজন মিলে মারধর করছিল। পরে আমরা গিয়ে তাকে উদ্ধার করি।”

‎এ বিষয়ে কুতুবদিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আরমান হোসেন বলেন, “বিষয়টি জানতে পেরেছি।


অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

কক্সবাজার ২৫০ শয্যা হাসপাতালে মিলছে না কিডনি রোগের চিকিৎসা

কক্সবাজার ২৫০ শয্যা হাসপাতালে মিলছে না কিডনি রোগের চিকিৎসা


 

প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর উন্নত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ১৮৮১ সালে ২২ শয্যা নিয়ে যাত্রা শুরু করে কক্সবাজার সদর হাসপাতাল। এরপর বিভিন্ন সময় আরো ৭৮ শয্যা যুক্ত করা হয়। ১৯৯৭ সালে হাসপাতালটিকে ১০০ থেকে বাড়িয়ে ২৫০ শয্যায় উন্নীত করা হয়। অন্যান্য রোগের চিকিৎসা হলেও হাসপাতালটিতে নেই কিডনি ডায়ালাইসিস ইউনিট। জেলার একটি মাত্র বেসরকারি হাসপাতালে ছয় শয্যার ডায়ালাইসিস ইউনিট থাকলেও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নেই। এ কারণে আক্রান্তদের চিকিৎসা নিতে হলে যেতে হচ্ছে চট্টগ্রাম ও ঢাকায়।



স্থানীয়রা বলছেন, পর্যটন শহর কক্সবাজারে প্রায় ২৮ লাখ মানুষের বাস। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে ১৩ লাখের বেশি রোহিঙ্গা। জেলায় একমাত্র সরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানটিতে সাধারণ রোগের চিকিৎসা মিললেও ঢাকা কিংবা চট্টগ্রামে ছুটতে হয় কিডনি রোগীদের। এতে ভোগান্তির পাশাপাশি বাড়তি খরচের বোঝা বইতে হচ্ছে। বিগত সময় সরকারের পক্ষ থেকে হাসপাতালে নেফ্রোলজি ও ডায়ালাইসিস ইউনিট স্থাপনের উদ্যোগ নিলেও দৃশ্যমান কোনো অগ্রগতি দেখা যায়নি।


রোগী ও স্বজনরা জানান, কক্সবাজারে বেসরকারি পর্যায়ে একটি মাত্র হাসপাতালে ছয় শয্যার ডায়ালাইসিস ইউনিট থাকলেও সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নেই। এ কারণে চিকিৎসা নিতে হলে রোগীদের যেতে হয় অন্য জেলায়। এতে ভোগান্তির পাশাপাশি বাড়ে খরচ।


এ বিষয়ে কক্সবাজার সিভিল সার্জন অফিসের সাবেক কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম সবুজ বলেন, ‘জটিল এ রোগের চিকিৎসা জেলা শহরে নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেয়া দরকার। সংশ্লিষ্টরা উদ্যোগ নিলে আক্রান্তদের দুর্ভোগ কম হবে।’


বেসরকারি হাসপাতালে ডায়ালাইসিস করতে টেকনাফ থেকে রোগী নিয়ে কক্সবাজারে এসেছেন নূর আহমদ। তিনি জানান, কিডনি রোগের চিকিৎসা ব্যয়বহুল। রোগীর প্রতি সপ্তাহে দুইদিন ডায়ালাইসিস করতে হয়। ডায়ালাইসিস করতে প্রতিবার ৪ হাজার টাকা খরচ হচ্ছে। ডায়ালাইসিস ব্যবস্থা সদর হাসপাতালে থাকলে চার ভাগের এক ভাগ খরচ লাগত।’


জেলার কিছু সচেতন নাগরিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিরা ডায়ালাইসিস ইউনিট স্থাপনের দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন। ২৬ এপ্রিল কক্সবাজার পৌরসভার হলরুমে সমাজ প্রতিনিধি, শিক্ষক, সাংবাদিক, রাজনীতিবিদ, চিকিৎসক, আইনজীবী ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি সভা আহ্বান করা হয়েছে। সভায় কক্সবাজারে দ্রুত ডায়ালাইসিস সেন্টার বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন কর্মসূচির সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।




এ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন জাকির হোসেন। তিনি জানান, প্রতিদিন হাসপাতালে কিডনি সমস্যায় অনেক মানুষ মারা যাচ্ছে। এখানে একজন স্থায়ী কিডনি চিকিৎসক নেই, ডায়ালাইসিস সেন্টারও নেই।


কক্সবাজারের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদুল হক বলেন, ‘কিডনি রোগীদের ইউনিটটি চালু হলে ভালো হবে। এটি চালুর জন্য আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে অনেক কাজ এগিয়ে নিয়ে গেছি। এখন ডায়ালাইসিস সেন্টার স্থাপনের জন্য কাজ চলছে আশা করছি, দ্রুতই এটি চালু হবে।’


কিডনি রোগীদের উন্নত সেবা দিতে ২০২০ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ২৫৫ কোটি ২২ লাখ কোটি টাকা ব্যয়ে কিডনি ডায়ালাইসিস এবং নেফ্রোলজি ইউনিট স্থাপনের প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়। প্রকল্পের আওতায় অন্তত ২২টি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫০ শয্যার ডায়ালাইসিস ইউনিট এবং ৪৪টি জেলা সদর হাসপাতালে ১০ শয্যার নেফ্রোলজি ও ডায়ালাইসিস ইউনিট স্থাপন করার কথা রয়েছে। ওই সময় প্রকল্পটি বাস্তবায়নের শেষ সময় ধরা হয় ২০২২ সাল। তবে চার বছর পেরিয়ে গেলেও আলোর মুখ দেখেনি প্রকল্পটি।


সংশ্লিষ্টরা বলছেন, রোগীদের বেঁচে থাকার স্থায়ী সমাধান কিডনি প্রতিস্থাপনে বারবার তাগিদ দিলেও সরকারি পর্যায়ে খুব একটা অগ্রগতি হয়নি। উন্নত দেশে কিডনি প্রতিস্থাপনে ক্যাডাভেরিক পদ্ধতি প্রধান হলেও বাংলাদেশে লিভিং ডোনার (জীবিত মানুষ থেকে কিডনি প্রতিস্থাপন) প্রক্রিয়ায় আগ্রহ বেশি। এতে সর্বোচ্চ ২ শতাংশ রোগী প্রতিস্থাপনের সুযোগ পাচ্ছেন। ৯৮ শতাংশ রোগীর ভরসা ডায়ালাইসিস। তবে এ সেবা সরকারি হাসপাতালে ৬০০ টাকায় পাওয়া গেলও বেসরকারিতে ব্যয় হয় ৩-৪ হাজার টাকা। খরচ মেটাতে না পেরে অধিকাংশ রোগী থাকছেন চিকিৎসার বাইরে।


এ ব্যাপারে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মং টিংঞো বণিক বার্তাকে বলেন, ‘সদর হাসপাতালে ডায়ালাইসিস সেন্টার চালুর জন্য গণপূর্ত থেকে আমরা প্রক্রিয়া শেষ করেছি। এখন কাজ চলছে স্থাপনের। এটা চালু হলে কিডনি চিকিৎসক ও ডায়ালাইসিস সেন্টারের জন্য কর্মকর্তা-কর্মচারী পদায়ন করা হবে।

রামু সরকারি কলেজের নবাগত অধ্যক্ষকে বরণ করে নিলেন কলেজ গেইট সাত ঘরিয়া পাড়াবাসী

রামু সরকারি কলেজের নবাগত অধ্যক্ষকে বরণ করে নিলেন কলেজ গেইট সাত ঘরিয়া পাড়াবাসী


 প্রস বিজ্ঞপ্তিঃ

রামু সরকারি কলেজের নবাগত অধ্যক্ষ মোহাম্মদ হাছানুল ইসলামকে সাত ঘরিয়া পাড়া এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও বরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ২৪ এপ্রুল সকালে অধ্যক্ষের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত শুভেচ্ছা বিনিময়ের সময় উপস্থিত ছিলেন কলেজের শিক্ষক আ হ. ম জহির, সাত ঘরিয়া ইসলামী সন্মেলন বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি ডা: শফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ছৈয়দ নূর, রামু প্রস ক্লাবের সহ-প্রচার সম্পাদক সাংবাদিক আবুল কাশেম সাগর, যুগ্ন সম্পাদক মঈন উদ্দিন কাদেরী, ছাত্র নেতা ও দাতা রামু সদস্য সালামান শাহ আবীর, নরুল হক, আজিজ মিয়া, মনুসর মিয়া, আসাদ উদ্দিন, কামরুজ্জামান, মো: মামুন, মোস্তাক আহমদ, ছলিম উল্লাহসহ প্রমূখ । এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে অধ্যক্ষ মোহাম্মদ হাছানুল ইসলাম কলেজের সার্বিক উন্নয়নে এলকাবাসীর সহযোগিতা কামনা করেন। উল্লেখ্য: সম্প্রতি রামু সরকারি কলেজের নতুন অধ্যক্ষ হিসাবে যোগদান করেছেন মোহাম্মদ হাছানুল ইসলাম(বিসিএস শিক্ষা)।

তিনি পূর্ববর্তী চট্টগ্রাম সরকারি কলেজে গনিত বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।